রান্নার ব্যবহারের জিনিস কাজে লাগান গাছের পরিচর্যায়

বড় বাগান কিংবা খোলামেলা বাড়ি এখন আর সেভাবে দেখা যায় না। ফলে এখন ব্যালকনি বা ছাদ বাগান করার প্রতি ঝুঁকছে অনেকে। কিন্তু গাছ কীভাবে পুষ্টি পাবে, তা নিয়ে ভাবনা থেকেই যায়।

মজার কথা হচ্ছে, রান্নাঘরের ব্যবহৃত কয়েকটি সামগ্রীই আপনার বাগানের গাছকে জোগাতে পারে সুষম পুষ্টি।

প্রত্যেক পরিবারে খাদ্যতালিকায় কলা থাকেই। খাওয়াদাওয়ার পর খোসা নিশ্চয়ই আবর্জনা ভেবে ফেলে দেন? এবার থেকে তা আর করবেন না। তার পরিবর্তে কলার খোসা টবে পুঁতে দিন। নয়তো তার খোসা ছোট ছোট করে কেটে গাছের আশপাশে ছড়িয়ে দিন। কিংবা একটি পাত্রে পানির মধ্যে প্রায় ২৪ ঘণ্টা কলার খোসা ডুবিয়ে রাখতে পারেন। তারপর সেই পানিও দিতে পারেন গাছের গোড়ায়। কলার খোসায় থাকা পটাশিয়ামের প্রভাবে আপনার গাছ হয়ে উঠবে আরও সুন্দর।

ডিমের খোসায় প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম থাকে। তাই ফেলে না দিয়ে গাছের গোড়ায় তা ছড়িয়ে দিতে পারেন। সপ্তাহখানেক পর ম্যাজিক নিজের চোখেই দেখতে পাবেন।

আপনার কি টমেটো এবং গোলাপ গাছ রয়েছে বাড়িতে? তবে সেসব গাছের গোড়ার মাটির ভারসাম্য রক্ষা করতে অপরিহার্য কফি বীজ। সরাসরি মাটিতে ছড়িয়ে দিতে পারেন কিংবা দানা ভিজিয়ে রাখা পানি দিতে পারেন গাছের গোড়ায়।

গ্রিন টিও এখন প্রায় ঘরে থাকে। গ্রিন টি’র ব্যাগ ডোবানো পানিও দিতে পারেন গাছের গোড়ায়। দেখবেন আপনার গাছ দিন দিন আরও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল হয়ে উঠছে।

পেঁয়াজ এবং রসুন ছাড়া রান্নাই হয় না। এর খোসাও আপনার গাছকে দিতে পারে পুষ্টি। একটি পাত্রে এক লিটার পানি নিন। তার মধ্যে পেঁয়াজ এবং রসুনের খোসা একটানা ৩-৪ দিন ডুবিয়ে রাখুন। এবার তা ছেঁকে নিন। এরপর ওই পানিই দিন আপনার ব্যালকনি কিংবা ছাদের টবে। পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, আয়রনের নির্যাসে গাছ হয়ে উঠবে আরও সতেজ, আরও পুষ্টিকর।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*